২৮, জানুয়ারী, ২০২০, মঙ্গলবার

আসছে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ

সূর্য কিরণ ছড়ানোয় শীতের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। রাজধানীতে দিনের বেলায় হিমেল হাওয়ার দাপটও আগের তুলনায় কম ছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃষ্টি শেষে নতুন সপ্তাহ শুরু হতে পারে মৌসুমের দ্বিতীয় শৈত্যপ্রবাহে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আপাতত দেশে শৈত্যপ্রবাহ নেই। তবে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শীত অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের প্রায় সব জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে হিমেল হাওয়া। এখানকার প্রায় সব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। মঙ্গলবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তা দুই থেকে আড়াই দিন অব্যাহত থাকতে পারে। বৃষ্টি শেষে তাপমাত্রা আবারও কমতে শুরু করবে। আগামী রোববার নাগাদ আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

তিনি জানান, আপাতত দেশে শৈত্যপ্রবাহ নেই। ঢাকার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলেও বিভিন্ন এলাকায় সূর্য উঁকি দিয়েছে। ফলে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। আকাশে ঘন কুয়াশাও কমেছে। ঢাকায় শীতের অনুভূতি অনেকখানি কমলেও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শীতের তীব্রতা রয়েছে।

গত সপ্তাহের বুধবার থেকে ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় আকাশে ছিল ঘন কুয়াশা। এতে টানা পাঁচ দিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ফলে ওই সময়টায় শীতে কাতর হয়ে পড়ে গোটা জনপদ। সোমবার সকাল থেকে আকাশে সূর্য উঁকি দিলে শীতের তীব্রতা কমতে থাকে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৪৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে।

এদিকে, রাতভর ঘন কুয়াশার কারণে মঙ্গলবারও ফেরি চলাচলে সমস্যা হয়েছে। শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। এ সংক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে দেশের হাসপাতালগুলোতে।

অন্যদিকে, শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ার পরিস্থিতিতে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষকদের প্রতি নানারকম নির্দেশনা জানিয়ে এরই মধ্যে সারাদেশে কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং) এ জেড এম ছাব্বির।

এতে বলা হয়, তীব্র শীতের কারণে বোরো বীজতলার নানারকম ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পরিচর্যার আহ্বান জানানো হয়।

সর্বশেষ নিউজ